মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
পাতা

ইনোভেশন আইডিয়া

বিভিন্ন দপ্তরের ইনোভেশন আইডিয়া নিম্নে উল্লেখ করা হলো ।

 

 

উপজেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগ

উদ্ভাবন প্রকল্প ছক

 

১. উদ্ভাবনী উদ্যোগের শিরোনামঃ

ওয়ার্ড পর্যায়ে প্রাণিসম্পদ বিষয়ক সেবা প্রদান।

২. সমস্যার সংক্ষিপ্ত বিবরণঃ

গ্রাম পর্যায়ে খামারীগন তাদের অসুস্থ্য গবাদি গ্রাণি ও হাঁস-মুরগী উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসে নিয়ে আসতে পরিবহনে অর্থ খরচ হয় এবং শ্রম ঘনটা নষ্ট হয়। তদুপরি উপযোগী যানবাহন পাওয়া দুস্কর। এছাড়াও Heat period (গরম হওয়া) এ গাভীকে উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসে আনায়ন করা ও খামার মালিকদের জন্য সময় সাপেক্ষেও কষ্টসাধ্য বিষয়।

৩. সমাধানঃ

বিদ্যমান প্রসেস ম্যাপঃ

অসুস্থ্য গবাদিপ্রাণি ও হাঁস-মুরগী মালিক কর্তৃক উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরে আগমন।

 

সরাসরি ভেটেরিনারি সার্জন / উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসারের সাথে সাক্ষাৎ।

 

অসুস্থ্য গবাদিপ্রাণি ও হাঁস-মুরগীর পরীক্ষা ও পর্যাবেক্ষণ।

 

উপর্যুক্ত পরামর্শ ও চিকিৎসা প্রদান।

প্রস্তাবিত প্রসেস ম্যাপঃ

ওয়ার্ডের একটি নির্দিষ্ট স্থানে সেবা ক্যাম্প নির্বাচন।

 

প্রতি পাক্ষিকের একটি নির্দৃষ্ট ‘‘দিন’’ সেবা দিবস হিসাবে ঘোষনা।

 

সেবা সমূহঃ                                                 সেবা প্রদানকারীঃ

ক) চিকিৎসা ও পরামর্শ সেবা  -----------    উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসার/ভি.এস

খ) কৃত্রিম প্রজনন          ------------------  এফ.এ.এ.আই/এ.আই টেকনিশিয়ান

গ) ভ্যাকসিনেশন          ------------------ ভি.এফ.এ (উপজেলা প্রাণিসম্পদ

                                                     অফিসারের উপস্থিতিতে)

ঘ) ঔষধ বিতরন           ------------------  উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসার

   (ভিটামিন ও কৃমিনাষক)------------------  উপজেলা প্রশাসনের সহায়তায়

                                                      উপজেলা পরিষদের অর্থায়নে।

৪. কী ফলাফল তৈরী হবে?

খামার মালিকগন বেশিরভাগই মধ্যবিত্ত এবং নিমণ মধ্যবিত্ত। সামান্য সংখ্যক উচ্চ মধ্যবিত্ত বিবেচনা করা যেতে পারে। এ প্রেক্ষিতে প্রতি ওয়ার্ডে প্রায় দুইশত পরিবার উপকারের/সেবার আওতায় আসবে। এ পদ্ধতি চালু হলে সময় মাত্র এক থেকে দুই ঘন্টা ব্যয় হবে এবং কোন পরিবহন খরচ হবে না। ফলে খামার মালিকগন উপকৃত হবে। প্রসত্মাবিত পদ্ধতিতে পারিবারিক ও বানিজ্যিক খামার মালিকগন উপকৃত হবে এবং খামার স্থাপনের প্রতি আগ্রহী হবে। যা মানুষের প্রোটিনের চাহিদা পূরন সহ দেশের অর্থনীতিতে বিরাট ভূমিকা রাখবে।


 

৫. পাইলটের স্থানঃ

উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর, দুর্গাপুর, রাজশাহী।

৬. বাস্তবায়ন কালঃ

০২/০৪/২০১৬

৭. টিম সদস্যঃ

উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসার/ ভেটেরিনারি সার্জন। ভি.এফ.এ, এফ.এ.এ.আই/এ.আই, টেকনেশিয়ান  (সেচ্ছাসেবী)।

৮. প্রয়োজনীয় রিসোর্সঃ

ঔষধ ক্রয়ঃ

ভ্যাকসিন, কৃত্রিম প্রজনন বিষয়ক এবং প্রচারনার জন্য হ্যান্ড মাইক। স্থানীয়ভাবে ভিডিও চ্যানেলে প্রচারনা।

৯. রিসোর্সের যোগানঃ

উপজেলা পরিষদের অর্থায়ন।

১০. কর্মপরিকল্পনাঃ

ওয়ার্ড পর্যায়ে প্রাণিসম্পদ বিষয়ক সেবা প্রদানের কর্মপরিকল্পনা। 

 

কার্যক্রম

সময়কাল

দায়িত্ব

চ্যালেঞ্জ /ঝুকি

জেলা প্রাণিসম্পদ অফিসারকে অবহিতকরন ও সহায়তা কামনা।

২৩/০২/২০১৬ খ্রিঃ

উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসার

নাই

ইউ.এল.ও/ভি.এস, ভি.এফ.এ, এফ.এ. এ.আই/এ.আই টেকনিশিয়ান এর সমন্বয়ে টিম গঠন।

২৫/০২/২০১৬ খ্রিঃ

উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসার

নাই

ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের সদস্য, মহিলা সদস্য, গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গা ও লিড খামারীদের সাথে মত বিনিময় এবং  স্থান নির্বাচন।

০৭/০৩/২০১৬ খ্রিঃ

ভি.এফ.এ

নাই

পারিবারিক, বাণিজ্যিক ও প্রামিত্মক খামারীদের সাথে আলোচনা, পর্যালোচনা, মতামত ও সেবা প্রদান / গ্রহনের সময় ও প্রক্রিয়া চুড়ামত্ম করন।

২১/০৩/২০১৬ খ্রিঃ

এ.আই টেকনিশিয়ান (সেচ্ছাসেবী)

নাই

প্রনয়নকৃত পরিকল্পনা বাসস্তবায়ন।

০২/০৪/২০১৬ খ্রিঃ

উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসার/ভি.এস, ভি.এফ.এ, এ.আই টেকনিশিয়ান  (সেচ্ছাসেবী)/এফ.এ.এ.আই

নাই

 

 

 

                                                                                                       স্বাক্ষরিত/-

        (ডাঃ মোঃ সাইফুল ইসলাম)

                                                                                          উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসার

                                                                                                দুর্গাপুর, রাজশাহী।

                                                                                              ফোনঃ ০৭২২৪৫৬০১২

 

 

বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ড

দূর্গাপুর, রাজশাহী-৬২৪০ ।

ই-মেইল Brdbdurgapurrajshahi@gmail.com

 

 

ইনোভেশন প্রস্তাব

 

 

          আমাদের ইনোভেশন প্রস্তাব হচ্ছে ‘‘ টি,সি,ভি-টাইম, কষ্ট ও ভিজিট’’ কি ভাবে কমানো যায় তার উপর । ব্যাংকিং পরিকল্পনার ও বিভাগীয় শর্ত অনুযায়ী আগে আমাদের একটি ঋণ প্রস্তাব পাস করতে ১০ থেকে ১৫ দিন সময় , এমনকি মাসাধিক সময় লেগে যেত । এতে জনগণের ভোগান্তিসহ সময় ও আর্থিক খরচ বেশি লাগত । এর ফলে প্রাতিষ্ঠানিক নানান সমস্যার সৃষ্টি হত । এ অবস্থা থেকে বেরিয়ে এসে কিভাবে ৩ থেকে ৪ দিনের মধ্যে সদস্যদের মাঝে ঋণ দেয়া যায় তার উপর অত্র প্রতিষ্ঠান কাজ করে যাচ্ছে । বর্তমানে সরকারের ঋণ সংক্রান্ত নীতিমালা আংশিক সহজতর হলেও সময় ও পরিশ্রম কমেনি । এ ক্ষেত্রে নিম্নোক্ত বিষয়গুলো বিবেচনা করা যেতে পারে ।

 

১। ঋণ  বিতরণ সংক্রান্ত  নীতিমালা আরো সংশোধন করে ঋন সংশ্লিষ্ট উপ কমিটি অবলুপ্ত করা যেতে পারে ।

২। ঋণ আবেদনের ক্ষেত্রে র্তমানে প্রচলিত কাগজপত্র কমানো প্রয়োজন

৩। ঋণ গ্রহনেচ্ছুক সমিতি সমূহকে তাদের পূর্ববর্তী ঋণ ৮০% পরিশোধের পরপরই একই সাথে নতুনভাবে ঋণের জন্য

     আবেদন করতে হবে । এতে সময় এবং অর্থের অপচয় কম হবে ।

৪। ঋণ গ্রহনেচ্ছুক সদস্যগণকে তাদের নিজ নিজ আবেদন পত্র যথাযথভাবে পূরণ করে সমিতির দায়িত্বপ্রাপ্ত ম্যানেজার ও

     সভাপতির স্বাক্ষর গ্রহণ পূর্বক মাঠ কর্মীর  মাধ্যমে উপজেলা কার্যালয়ে দাখিল করতে হবে  ।

৫। সমিতির পূর্ববর্তী ঋণ আদায় কালীন সময়ের মধ্যেই নিবিড় পরিদর্শন সম্পন্ন করতে হবে ।  

৬। সকল ঋণের ক্ষেত্রে একইরম্নপ কাগজপত্র/দালিলিক প্রমানপত্র হওয়া বাঞ্ছনীয় ।

৭। ঋণ আবেদনপত্র পাওয়ার পরপরই উপজেলা ঋণ মঞ্জুর কমিটিকে দ্রম্নততার সাথে তা বাসত্মবায়নের ব্যবস্থা নিতে হবে । 

 

       উপরোক্ত বিষয়গুলো সহজতর করার লক্ষ্যে বর্তমানে কাজ শুরু হয়েছে । কিন্তু আইনগত বিষয়গুলো সহজতর করা না হলে বাস্তবায়ন করা দুঃসাধ্য হয়ে দাঁড়াবে । এ জন্য আইনগত বিষয়গুলো সংশোধনের নিমিত্তে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টিগোচর করা হয়েছে । আইনগত বিষয়গুলো সহজতর  করা হলে আমাদের লক্ষ্যে উপনীত হতে পারব । 

 

 

                                                                                                        স্বাক্ষরিত/-

                                                                                       উপজেলা পল্লী উন্নয়ন অফিসার

                                                                                              দূর্গাপুর, রাজশাহী ।