মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C

নীল কুঠি

নীল কুঠির সংক্ষিপ্ত বর্ননা বৃটিশ যুগঃ- বৃটিশ শাসন কালে পানানগর গ্রামে ১৮৯৪ সালের দিকে একজন ইংরেজ সাহেব আসে (সেই ইংরেজ সাহেবের নাম কেউ বলতে পারেনি)। সেই ইংরেজ সাহেব আমাদের এলাকার বিলে পাখি মারতে আসে সেই বিলের নাম সোনা কান্দোর । বিলের আশে পাশে ঘুরে ঘুরে পাখি মারতে থাকে । পাখি মারার সময় এখন যেখানে নীল কুঠি অবস্থিত সেই জমি গুলো তার অনেক পছন্দ হয়েছিল । তখন পানানগর গ্রামে দুটি জমিদার ছিল (১) জগিন্দ্রনাথ মৈত্র, (২) গ্যানেদা গোবিন্দ । সেই ইংরেজ ব্যক্তি দুই জমিদারের কাছ থেকে পছন্দের ২৭ বিঘা জমি নিজের নামে পত্তন নিয়েছিলো । আর সেখানে দক্ষিন দুয়ারী অনেক বড় বাড়ী ও নীল কুঠি তৈরী করল । তারপর সেখানে গ্রামের হতদরিদ্র মানুষ দিয়ে পলু পোকা চাষ করিয়ে নিতো আর তুত গাছ লাগিয়ে নিতো । পলু পোকাকে তুতের পাতা খাওয়াতো সিণ্ক তৈরী করার জন্য। তারা অনেক অত্যাচারী ছিলো । তাদের কথা কারও অমান্য করার ক্ষমতা ছিলো না যাকে যেই কাজে যেতে বলবে তাকে সেই কাজ করতে হতো না করলে অনেক অত্যাচার করত । ১৯৪৭ সালে পাক ভারত স্বাধিন হয় তখন তারা একে একে এখান থেকে চলে গেল । আর সেই প্রথম ইংরেজ সাহেব কর্তা হিসাবে ছিলো তার মৃত্যু হয়েছে পানানগর গ্রামেই । তাকে কবর দেওয়া হয়েছিলো তাদের বাড়ীর পাশে পূর্ব পশ্চিম ভাবে লম্বায় ৪-৫ হাত । এখন সেই কবরের চিহ্ন আর নেই কারন তখন তাকে অনেক টাকা/পঁয়সা দিয়ে কবর দেওয়া হয় । আর মানুষ সেখান থেকে পঁয়সা পেতে থাকলে সেখান মানুষ সময় সব কিছু নষ্ঠ করে দিয়েছে । তখন গ্রামের মানুষ এতটা ইট বুঝতো না যখন বুঝতে শুরু করল তখন আমাদের পাশের গ্রাম তেলীপাড়ার কিছু মানুষ ইট নিয়ে যেতে শুরু করল মসজিদ বানানোর জন্য ।